শনিবার, ৮ মে ২০২১, ২৫ বৈশাখ ১৪২৮খবরিকা অনলাইনে আপনাকে স্বাগতম।

খালেদার মামলার রিট আবেদনে হাইকোর্টের বিভক্ত আদেশ

khaleda-1_103326

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়াউর রহমান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিচারিক আদালতে অভিযোগ গঠনকারী বিচারকের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার করা রিট আবেদনে বিভক্ত আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রোববার দুপুরে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
রায়ের আদেশে জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুব বিচারিক আদালতে মামলা দু’টির বিচারিক কার্যক্রমের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দু’টির অভিযোগ গঠনকারী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক বাসুদেব রায়ের নিয়োগ-প্রক্রিয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে রুল জারি করেছেন।
অন্যদিকে কনিষ্ঠ বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক কিছু পর্যবেক্ষণসহ খালেদা জিয়ার রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, রিট আবেদনটি এখন প্রধান বিচারপতির কাছে যাবে। তিনি তৃতীয় একটি বেঞ্চ গঠন করে রিটটি পাঠাবেন। ওই বেঞ্চে এর নিষ্পত্তি হবে।গত ২০ মে রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত আদেশ প্রদানের জন্য রোববার দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ১২ মে মামলা দু’টির অভিযোগ গঠনকারী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক বাসুদেব রায়ের নিয়োগ-প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন খালেদা জিয়া।
গেজেট না করে সাধারণ আদেশে দেওয়া ওই বিচারকের নিয়োগ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- রিট আবেদনে সেই আদেশ চাওয়া হয়। পাশাপাশি বিচারিক আদালতে মামলা দু’টির কার্যক্রমে স্থগিতাদেশও চাওয়া হয়েছে।
২০১১ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক হারুনুর রশিদ।
২০০৮ সালের ৩ জুলাই জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টে অনিয়মের অভিযোগ এনে দুদক রমনা থানায় দায়ের করে অপর মামলাটি।
গত ১৯ মার্চ এই দুই মামলায় খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।
মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ বাতিল চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদন গত ২৩ এপ্রিল খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।
এরপর ১২ মে মামলা দু’টির অভিযোগ গঠনকারী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক বাসুদেব রায়ের নিয়োগ-প্রক্রিয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন খালেদা জিয়া।