Sunday, September 22Welcome khabarica24 Online

ওরা লাল সবুজের ফেরিওয়ালা

খবরিকা রিপোর্ট ঃ বিজয়ের চেতনায় ঘুরে আসে বাংলার মুক্তির বিজয় ডিসেম্বর। ডিসেম্বর আসলেই মৌসুমি ব্যবসায়ীদের পতাকা বিক্রি ধুম পড়ে যায়। তারা পায়ে হেঁটে শরীলে এবং মাথায় পতাকা বেঁধে বিভিন্ন সাইজের জাতীয় পতাকা বিক্রি করেন। বিজয়ের চেতনায় এ মাসের শুরু থেকেই জাতীয় পতাকার ব্যবহার বেড়ে যায়। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে এটি চূড়ান্ত রূপ ধারণ করে। এ কারণে এসময় পতাকা তৈরির ধুম পড়ে যায়। বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, গাড়িতে, রিকশায়, এমনকি মোটরসাইকেলের লাল-সবুজের পতাকা পতপত করে উড়তে থাকে। এজন্য মীরসরাই উপজেলা সহ সারা দেশে চলছে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম। পাড়া-মহল্লা থেকে শুরু করে উপজেলার অলিগলিতে মৌসুমি পতাকা বিক্রেতারাও হাঁকডাক দিয়ে বিক্রি করছেন দেশের জাতীয় পতাকা। নির্ধারিত মাপে কাপড়ের পতাকার পাশাপাশি কাগজ দিয়ে তৈরি পতাকাও বেশ বিক্রি হচ্ছে। কাগজের পতাকা দিয়ে ফুটপাত বা দোকানপাট, বাসা সাজানো হচ্ছে। উপজেলার বড়তাকিয়ার বাজারে পতাকা বিক্রি করেন সাইফ উদ্দিন। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে সব আকারের পতাকা বিক্রির জন্য প্রস্তুত করেছি। ক্রেতারাও আসতে শুরু করেছেন। তবে দিন যত যেতে থাকবে বিক্রি আরও বাড়বে। শুধু পতাকা নয়, লাল-সবুজের মাথার কাগজের ক্যাপ, রাবার, হাতের ব্যাজ, বুকের ব্যাজ বিক্রি করছেন তিনি। মীরসরাই বাজারে পতাকা বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, আমি কুমিল্লা থেকে পতাকা বিক্রি করতে এসেছি। জাতীয় পতাকা বিক্রি করে আমি গর্বিত। আমি মনে করি, পতাকার মাধ্যমে আমি দেশের মানুষের কাছে শহীদ মুক্তিযুদ্ধোদের স্মৃতি তুলে দিচ্ছি। জাতীয় পতাকা দেখলেই মনে হয় মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতি বিজড়িত কথা। এ পতাকার জন্য বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন। কয়েকজন বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আকারভেদে ১০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত পতাকা বিক্রি হয়। এছাড়া কাগজের ছোট পতাকা এক হাজার ১০০-১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নিল মানবাধিকার উন্নয়ন সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আনোয়ারুল হক নিজামী বলেন দুঃখ জনক হলেও সত্য ‘একটি জাতীর প্রতিক পতাকা, পতাকা নিদিষ্ট রং এবং মাপ থাকলেও তা অনেকেই মানছে না। বিভিন্ন জায়গায় গাড় সবুজ মাঝখানে লাল রক্তিম সূর্যের রং খুঁজে পাওয়া যায় না এমনকি অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও।