Saturday, November 25Welcome khabarica24 Online

আজ বিশ্ব প্রবীণ দিবস

আজ ১ অক্টোবর বিশ্ব প্রবীণ দিবস। ১৯৯০ সালে জাতিসংঘ প্রতিবছর ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিকভাবে দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রবীণদের সুরক্ষা এবং অধিকার নিশ্চিতের পাশাপাশি বার্ধক্যের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৯৯১ সাল থেকে এ দিবসটি পালন করা শুরু হয়।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হবে দিবসটি। দিবসটিতে এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে- “ভবিষ্যৎ অগ্রসরে সমাজে প্রবীণদের দক্ষতা, অবদান এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করুন।”

এদিকে প্রবীণ দিবস উপলক্ষে গতকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি এবং কল্যাণমূলক সংগঠনকে প্রবীণদের কল্যাণে গঠনমূলক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।

আবদুল হামিদ বলেন, “ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রবীণদের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। তাই প্রবীণদের মৌলিক ও মানবিক অধিকার নিশ্চিত করা জরুরি।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, “বার্ধক্যের বাস্তবতাকে অস্বীকার করার উপায় নেই। স্বাভাবিক নিয়মেই একদিন প্রবীণত্বকে বরণ করতে হয়। প্রবীণদের নানা সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সমাজ গঠনমূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদান করা গেলে, তারা সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন। সাথে-সাথে জাতীয় উন্নয়নও ত্বরান্বিত হবে।”

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রবীণ জনগোষ্ঠী দেশের মোট জনসংখ্যার একটি সংবেদশীল ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। কর্মময় জীবনে নিজ নিজ পরিবার, সমাজ ও দেশ গঠনে তাঁরা অত্যন্ত নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করেছেন। আজকের এই সমাজ বিনির্মাণে তাদের ভূমিকাই মুখ্য।”

প্রবীণদের সার্বিক কল্যাণে সরকারের নানামুখী কর্মসূচি বাস্তবায়নের কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, সরকার বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালুর পাশাপাশি জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ এবং পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩ প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন, প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা উন্নয়নের পাশাপাশি সামাজিক নিরাপত্তার প্রতিটি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া প্রবীণ উন্নয়ন ফাউন্ডেশন গঠনের মাধ্যমে প্রবীণসেবা কর্মসূচি আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।