Monday, October 22Welcome khabarica24 Online

অচল ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ঃ যাত্রীদের জনদূর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ অনেকটা অচল দেশের লাইফ হিসেবে খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। আজ রবিবার সকাল থেকে সড়কে কোন ধরনের গণপরিবহন চলাচল করেনি। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে শত শত কর্মজীবী মানুষকে। সপ্তাহের প্রথম দিন হওয়ায় অনেকে কর্মস্থলে যাওয়ার জন্য রাস্তায় বের হলেও কর্মস্থলে যাওয়া সম্ভব হয়নি। মাঝে মধ্যে সিএনজি অটোরিক্সা চলাচল করলেও ভাড়া গুনতে হয়েছে প্রায় ৫-৬ গুন বেশি।

রবিবার সকাল থেকে সড়কের একেখান বাসস্ট্যান্ডে শত শত যাত্রীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। বিশেষ করে শহর থেকে মীরসরাই, সীতাকুন্ড উপজেলায় অবস্থিত বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা, সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরীজীবি ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকেও গাড়ি পায়নি। কেউ কেউ প্রতিষ্ঠানে যেতে পারলেও ৫০ টাকার ভাড়া ২শত থেকে ৩শ টাকা দিতে হয়েছে। সড়কের বিভিন্ন অংশে ঘুরে দেখা গেছে, অনেকে গাড়ি না পেয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্যস্থলে গেছে। বিভিন্ন বাজারের বাসস্ট্যান্ড গুলোতে মানুষের ঝটলা ছিল ছোখে পড়ার মত। উপজেলার সবচেয়ে বড় বাস স্ট্যান্ড বারইয়ারহাট পৌরসদরে গিয়ে দেখা যায়, মহাসড়কে যাত্রীদের ভিড়। কিন্তু কোন বাস ছেড়ে যায়নি।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিয়মিত যাত্রী আবু সাঈদ বলেন, আজকে সপ্তাহের প্রথম দিন, অফিসে তো যেতেই হবে। বাসা থেকে বেরিয়ে কোন সিএনজি অটোরিকশা পাচ্ছিলাম না। পরে দ্বিগুণ ভাড়ায় এ যেতে হচ্ছে।
আরেক যাত্রী শাহিন আলম বলেন বাসা থেকেবিাড়ি যাওয়ার জন্য বাহির হয়ে গাড়ি না পেয়ে পায়ে হেঁটে সিটি গেইট এসে ৩শ টাকা করে একটি গাড়ি যোগে বারইয়ারহাট এসেছি। অথচ বারইয়ারহাট যেতে ভাড়া লাগে ৮০ টাকা।

চট্টগ্রাম জেলা বাস মিনিবাস হিউম্যান হলার মালিক সমিতির সভাপতি রফিক উদ্দিন জানান বলেন, ‘নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। পুলিশ যেখানে আমাদের নিরাপত্তা দেবে সেখানে, উল্টো আমাদের ওপর চড়াও হয়েছে। এসব বিষয় মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সীদ্ধান্ত অনুসারে আমরা সড়কে গাড়ি চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছি।’